
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানে সম্মাননা—খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালীর অর্জন কিছু কথা।
আলমগীর হোসেন :
সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পণ হিসেবে সাংবাদিকতার ভূমিকা অনস্বীকার্য। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নিরলস কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার কৃতি সাংবাদিক খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালী পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা, যা স্থানীয় সাংবাদিক মহলে নতুন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
সম্প্রতি আয়োজিত “নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৪” অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সার্ক কালচারাল কাউন্সিলের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনটি ছিল বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা তার দীর্ঘদিনের পেশাগত নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের স্বীকৃতি।
খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালী,অপরাধ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং মোহনা টেলিভিশন ও দৈনিক ভোরের কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সমাজের নানা অসংগতি, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরে মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে আসছেন। তার প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয় সাধারণ মানুষের কথা, যা স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই সম্মাননা শুধু একজন ব্যক্তির অর্জন নয়, এটি কসবার সাংবাদিক সমাজের জন্যও গৌরবের। স্থানীয় ও জেলার সাংবাদিকরা মনে করছেন, এমন স্বীকৃতি তরুণ প্রজন্মকে পেশাদার সাংবাদিকতায় আগ্রহী করে তুলবে এবং সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে উৎসাহ জোগাবে।
সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে যখন তথ্যের ভিড়ে সত্য খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালীর মতো সাংবাদিকদের কাজ আরও বেশি গুরুত্ব বহন করে। তাদের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। তিনি নেপালে যাওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থ্যজনিত কারণে নেপালে যেতে পারেননি।
এই সম্মাননা প্রমাণ করে—, নিষ্ঠা সততা ও পেশাদারিত্ব থাকলে স্বীকৃতি আসবেই। খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালীর এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক কাজের প্রেরণা হয়ে থাকবে এবং সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সকল অপ প্রচারকে পিছনে ফেলে দিয়ে আমরা নিষ্ঠা সততা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করলে স্বীকৃতি আসবেই।