
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা, জাল ভোট প্রদান ও মহিলাদের দিয়ে ভোট কারচুপির পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজনৈতিক নতুন বন্দোবস্ত আন্দোলনের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। বুধবার (১১ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার আমেনা প্লাজার তৃতীয় তলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি জানান, গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন প্রার্থীর পোস্টে ভোট দখল ও ভোট কারচুপির আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। মহিলাদের দিয়ে জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অভিযোগ করেন তিনি। তাছাড়া একটি অটোরিকশায় করে বাঁশ কেটে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও জমা করা হচ্ছে, যা ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে।
তিনি বলেন, “এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাঞ্ছারামপুরের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।” এসব বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক তথা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাঞ্ছারামপুরের প্রতিটি ভোটার যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—এটাই সবার প্রত্যাশা হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, জনগণ যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দেবেন এবং জনতার ভোটেই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। জনগণ যদি আমাদের পছন্দ করেন আমরা বিজয়ী হব, আর পছন্দ না করলে অন্য কেউ বিজয়ী হব। নতুবা অন্য কেউ বিজয়ী হবে—এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে আমি মনে করি।
জোনায়েদ সাকি আরো বলেন যুগপৎ প্রার্থীসহ বিএনপি সরকার গঠন করলে আমরা বাঞ্ছারামপুরে একটি সুন্দর সমৃদ্ধশালী অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ গড়ে তুলব।
সবশেষে জোনায়েদ সাকি শতভাগ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন।